এই পৃথিবীতে এমন কিছু জীব রয়েছে যারা এত ক্ষুদ্র যে, তাদের খালি চোখে দেখাই যায় না। এদের দেখতে হলে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। এ ধরনের জীবকে অণুজীব বলা হয়। আর বিজ্ঞানের যে শাখায় এই অণুজীব নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে অণুজীববিজ্ঞান বলে। আমাদের চারপাশে নানা প্রকার ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, শৈবাল, ছত্রাকসহ এমন অনেক অণুজীব রয়েছে যারা বিভিন্নভাবে আমাদের জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করে থাকে। এর কিছু হয়তো আমাদের জানা, আর কিছু হয়তো অজানা। অণুজীব সংশ্লিষ্ট এমন জানা-অজানা, বৈচিত্র্যময় পঞ্চাশটি প্রশ্নের উত্তর নিয়েই সাজানো হয়েছে এই বইটি।
প্রশ্নসূচি:
প্রশ্ন ১- অদৃশ্য অণুজীবদের সম্পর্কে মানুষ সর্বপ্রথম কিভাবে জানতে পারলো?
প্রশ্ন ২-অদৃশ্য অণুজীবেরা আমাদের তুলনায় কতখানি ক্ষুদ্র?
প্রশ্ন ৩-পৃথিবীতে মোট কি পরিমাণ অণুজীব রয়েছে?
প্রশ্ন ৪-নিয়মিত দাঁত মাজলে কিভাবে আমাদের উপকার হয়?
প্রশ্ন ৫-বৃষ্টিতে ভিজলে আমাদের ঠাণ্ডা লাগে কেন?
প্রশ্ন ৬-মাঝে মাঝে আমাদের চোখ ওঠে কেন?
প্রশ্ন ৭-টিউলিপ ফুলে এত বৈচিত্র্যময় সৌন্দর্য্য হয় কি করে?
প্রশ্ন ৮-ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে কি নারী-পুরুষ শ্রেণিভেদ রয়েছে? না থাকলে এরা বংশবৃদ্ধি করে কি করে?
প্রশ্ন ৯-ভাইরাস কি জীব, নাকি জড়?
প্রশ্ন ১০-বলা হয়ে থাকে যে, 'জ্বর কোনো রোগ নয়, রোগের লক্ষণ'। কিন্তু কেন?
প্রশ্ন ১১-বডি স্প্রে কিভাবে দেহের দুর্গন্ধকে প্রতিহত করে?
প্রশ্ন ১২-পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যাকটেরিয়া কোনটি?
প্রশ্ন ১৩-মাইটোকন্ড্রিয়া এবং ক্লোরোপ্লাস্ট কি ব্যাকটেরিয়া?
প্রশ্ন ১৪-জলাতঙ্ক রোগে পানি দেখলে ভয় লাগে কেন?
প্রশ্ন ১৫-পৃথিবীতে এতো এতো ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া থাকতে নভেল করোনাভাইরাস দিয়েই ভয়ঙ্কর মহামারিটি হল কেন?
প্রশ্ন ১৬-ভ্যাকসিন বা টিকা আসলে কি জিনিস?
প্রশ্ন ১৭- ব্লিচিং পাউডার কিভাবে জীবাণুকে ধ্বংস করে?
প্রশ্ন ১৮- ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক খেতে নিষেধ করা হয় কেন?
প্রশ্ন ১৯-মানুষের দেহে ঘাম থেকে দুর্গন্ধ হয় কেন?
প্রশ্ন ২০-মেঘ থেকে বৃষ্টি হতে অণুজীবের কোনো ভূমিকা আছে কি?
প্রশ্ন ২১-পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ব্যাকটেরিয়া কোনটি?
প্রশ্ন ২২-শিমজাতীয় গাছের শিকড়ে টিউমারের মত গোল গোল অংশ দেখা যায় কেন?
প্রশ্ন ২৩-বৃষ্টির সময় বাতাসে মাটির সোঁদা গন্ধ পাওয়া যায় কেন?
প্রশ্ন ২৪- প্লাস্টিক কেন পচে না?
প্রশ্ন ২৫- আমাদের পেটের ভেতর থাকা ব্যাকটেরিয়াগুলো কিভাবে আমাদের উপকার করে থাকে?
প্রশ্ন ২৬-মানুষের দেহে কি পরিমাণ অণুজীব থাকে?
প্রশ্ন ২৭- মশার মাধ্যমে এইডসের জীবাণু ছড়ায় না কেন?
প্রশ্ন ২৮- রুটির ভেতরটা এত নরম এবং ফাঁপা হয় কি করে?
প্রশ্ন ২৯- সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন কত তাপমাত্রায় অণুজীব বেঁচে থাকতে পারে?
প্রশ্ন ৩০-একটি ভ্যাকসিন তৈরি করতে বছরের পর বছর সময় লাগে কেন?
প্রশ্ন ৩১-পশুপাখি থেকে রোগের জীবাণু কি মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে?
প্রশ্ন ৩২- বাদুড় কি করে প্রাণঘাতী ভাইরাস সহ্য করেও বেঁচে থাকে?
প্রশ্ন ৩৩-সাবান কিভাবে আমাদেরকে জীবাণুর হাত থেকে সুরক্ষা দেয়?
প্রশ্ন ৩৪-ব্যাকটেরিয়া কি দেখতে পারে?
প্রশ্ন ৩৫-এখন পর্যন্ত কি কোনো জীবাণুকে পৃথিবী থেকে নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে?
প্রশ্ন ৩৬-পৃথিবীর প্রথম এন্টিবায়োটিক পেনিসিলিন কিভাবে আবিষ্কৃত হয়?
প্রশ্ন ৩৭- রেফ্রিজারেটরে খাবার রাখলে খাবার ভালো থাকে কি করে?
প্রশ্ন ৩৮-অনেকে পানি রাখার জন্য তামার তৈরি গ্লাস, জগ, কলস ইত্যাদি ব্যবহার করে কেন?
প্রশ্ন ৩৯-পায়ে পেরেক ফুটলে ডাক্তাররা সাথে সাথে ইনজেকশন দেয় কেন?
প্রশ্ন ৪০-ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখলে একা একাই প্রাকৃতিকভাবে জৈব সারে পরিণত হয় কি করে?
প্রশ্ন ৪১-দই খেলে আমাদের পেটের উপকার হয় কিভাবে?
প্রশ্ন ৪২-শীতল মেরু অঞ্চল থেকে নাকি ত্রিশ হাজার বছরের পুরোনো ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া গেছে?
প্রশ্ন ৪৩-অনেককে কাটা জায়গায় থুতু লাগিয়ে দিতে দেখা যায়। এতে কি কোনো লাভ হয়?
প্রশ্ন ৪৪-দুধের প্যাকেটের গায়ে লেখা 'পাস্তুরিত তরল দুধ' কথাটির অর্থ কি?
প্রশ্ন ৪৫-অনেকগুলো প্রানঘাতী ভাইরাস ছড়ানো মশাকে পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করে দিলে কেমন হতো?
প্রশ্ন ৪৬-অনেক রোগের ক্ষেত্রেই ভ্যাকসিন পাওয়া যায় না কেন?
প্রশ্ন ৪৭-ব্যাকটেরিওফেজ যদি ব্যাকটেরিয়াকে মারতেই পারে তাহলে এদেরকে দিয়ে কি আমাদের দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলো মারা সম্ভব?
প্রশ্ন ৪৮-জীবাণুকে কি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব?
প্রশ্ন ৪৯-মানুষের মলকে কি কোনো চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করা যায়?
প্রশ্ন ৫০-পৃথিবী থেকে সমস্ত অণুজীব দূর করে ফেললে কেমন হতো?